রোববার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ধর্মপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত কিশোরী জান্নাত বেগম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জান্নাতের বাবা-মা দুজনই চাকরিজীবী। প্রতিদিনের মতো সেদিনও তারা সকালে কর্মস্থলে যান। বাড়িতে একাই ছিল জান্নাত, আর তার বড় ভাই ছিল মাদ্রাসায়।
সন্ধ্যায় কর্মস্থল থেকে ফিরে মা ঘরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের আমগাছের দিকে নজর গেলে সেখানে গলায় দড়ি পেঁচানো অবস্থায় মেয়ের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। মুহূর্তেই তার চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। সোমবার সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
সুধারাম থানার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির শরীরে কোনো দৃশ্যমান আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পরিবারের পক্ষ থেকেও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানানো যায়নি।
পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও শোকের সৃষ্টি করেছে। একটি সাধারণ দিনের শেষে এমন মর্মান্তিক পরিণতি অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার উত্তর এখন নির্ভর করছে তদন্তের ওপর।
